পৃথিবীর সমস্ত স্বৈরশাসক ও শেখ হাসিনা
পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক দেশেই বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারী শাসকরা ক্ষমতায় ছিলেন। এদের মধ্যে কয়েকজন বিশেষভাবে পরিচিত:
1. আডলফ হিটলার - জার্মানি, ১৯৩৩-১৯৪৫: নাৎসি পার্টির নেতা হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির শাসক ছিলেন। তাঁর শাসনামলে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, বিশেষ করে হলোকাস্টের সময়।
2. জোসেফ স্তালিন - সোভিয়েত ইউনিয়ন, ১৯২৪-১৯৫৩: স্তালিন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন, এবং তাঁর শাসনামলে বহু মানুষ রাষ্ট্রদ্রোহী অভিযোগে নির্বাসিত বা হত্যা করা হয়।
3. মাও সেতুং - চীন, ১৯৪৯-১৯৭৬: মাও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ‘গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড’ এবং ‘কালচারাল রেভোলিউশন’ নামে দু'টি উদ্যোগের ফলে লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
4. বেঞ্জামিন মুসোলিনি - ইতালি, ১৯২২-১৯৪৩: মুসোলিনি ইতালির ফ্যাসিস্ট নেতা ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে হিটলারের মিত্র ছিলেন।
5. কিম ইল-সাং এবং কিম জং-উন - উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়ায় এই পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কঠোরভাবে শাসন করে যাচ্ছে।
6. সাদ্দাম হোসেন - ইরাক, ১৯৭৯-২০০৩: ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসেনের শাসনামলে গণহত্যা, অত্যাচার, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক অভিযোগ রয়েছে।
7. মুয়াম্মার গাদ্দাফি - লিবিয়া, ১৯৬৯-২০১১: লিবিয়ার শাসক গাদ্দাফির শাসনামলে ব্যাপক দমনমূলক নীতি ও নিপীড়ন চালানো হয়েছিল।
8. অগাস্টো পিনোশে - চিলি, ১৯৭৩-১৯৯০: পিনোশে চিলির সামরিক স্বৈরশাসক ছিলেন। তাঁর শাসনামলে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয় এবং বহু মানুষ নিপীড়িত হন।
9. শেখ হাসিনা বাংলাদেশ 2009-2024 পর্যন্ত হাসিনা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েও তার শাসন আমলে দুর্নীতি, টাকা পাচার, লুটতরাজ, খোন, হত্যা,গুম, এমনকি বিনা বিচারে আয়না ঘরে শত শত মানুষকে নির্যাতন করে এক ভয়ংকর সৈরতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করেছিল যা হয়তো পর্বের সকল স্বৈরাচারকেও হার মানাবে। অতঃপর ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন।
এছাড়াও অনেক দেশে বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারী শাসন এসেছে, যা সমাজে চরম প্রভাব ফেলেছে। এদের অনেকেই ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখার জন্য দমনমূলক পদ্ধতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন