পৃথিবীর সমস্ত স্বৈরশাসক ও শেখ হাসিনা পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক দেশেই বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারী শাসকরা ক্ষমতায় ছিলেন। এদের মধ্যে কয়েকজন বিশেষভাবে পরিচিত: 1. আডলফ হিটলার - জার্মানি, ১৯৩৩-১৯৪৫: নাৎসি পার্টির নেতা হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির শাসক ছিলেন। তাঁর শাসনামলে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, বিশেষ করে হলোকাস্টের সময়। 2. জোসেফ স্তালিন - সোভিয়েত ইউনিয়ন, ১৯২৪-১৯৫৩: স্তালিন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন, এবং তাঁর শাসনামলে বহু মানুষ রাষ্ট্রদ্রোহী অভিযোগে নির্বাসিত বা হত্যা করা হয়। 3. মাও সেতুং - চীন, ১৯৪৯-১৯৭৬: মাও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ‘গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড’ এবং ‘কালচারাল রেভোলিউশন’ নামে দু'টি উদ্যোগের ফলে লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়। 4. বেঞ্জামিন মুসোলিনি - ইতালি, ১৯২২-১৯৪৩: মুসোলিনি ইতালির ফ্যাসিস্ট নেতা ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে হিটলারের মিত্র ছিলেন। 5. কিম ইল-সাং এবং কিম জং-উন - উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়ায় এই পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কঠোরভাবে শাসন করে যাচ্ছে। 6. সাদ্দাম হোসেন - ইরাক, ১৯৭৯-২০০৩: ইরাকের সাবে...
পোস্টগুলি
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
😭 কেন নিষিদ্ধ করা হলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার পেছনে মূল কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তাদের বিরুদ্ধে আনা সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ এবং ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগ। ছাত্রলীগের ওপর অভিযোগ উঠেছে যে তারা দীর্ঘদিন ধরে সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, যা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করছে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। এই কারণে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং নাগরিক সমাজ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে। এছাড়া, সরকারকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয় যে যদি তাদের নিষিদ্ধ করা না হয়, তবে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তাই জনরুসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার 23/10/2024 তারিখ বাধ্য হয় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে। 𝙝𝙩𝙩𝙥𝙨://𝙬𝙬𝙬.𝙥𝙧𝙤𝙛𝙞𝙩𝙖𝙗𝙡𝙚𝙘𝙥𝙢𝙧𝙖𝙩𝙚.𝙘𝙤𝙢/𝙯𝙞𝙦𝙪𝙚𝙣𝙯0?𝙠𝙚𝙮=𝙛7155𝙗9829𝙖2𝙖9𝙛𝙛74𝙚00𝙗179𝙚1𝙚2𝙖𝙛7
চুড়ই পাখির সাথে অর্ণবের ভালোবাসার গল্প
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
একটি ছোট গ্রামে একটি দুর্বল বালক ছিল। তার নাম ছিল অর্ণব। অর্ণবের প্রিয় কাজ হতো পাখির সাথে খেলা। তার গ্রামে অনেক পাখি ছিল, কিন্তু সে সবচেয়ে প্রিয় ছিল চড়ুই পাখির। চড়ুই পাখির চমকে চকচকে পার দেখে অর্ণব উৎসাহিত হতো। একদিন, অর্ণব চড়ুই পাখির সাথে খেলার জন্য যাচ্ছিল যেখানে একটি বৃক্ষের উপর একটি পাখির ঘর ছিল। অর্ণব খুব আনন্দিত ছিল এই খেলার জন্য। কিন্তু এই পাখির ঘরে প্রবেশ করতে অর্ণবের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। অর্ণব ভাবল, "চড়ুই পাখি, তুমি আমার সাথে এসো, আমি তোমাকে বৃক্ষের উপরের তাল পেতে সাহায্য করব।" চড়ুই পাখি খুশি হয়ে ওঠে এই আবারও অর্ণবের সাথে খেলা করতে। চড়ুই পাখি অর্ণবের সাথে যাওয়ার সময়, পাখির ঘরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। অর্ণব এই প্রক্রিয়াটি সাফল্যের সাথে বৃক্ষের উপরে তাল পেয়ে। পরে অর্ণব ও চড়ুই পাখি পরিবারকে চড়ুই পাখির সাহায্যের সম্পর্কে বললেন। সবাই অত্যন্ত স্তুতিমূলক হয়ে ওঠে। চড়ুই পাখির সাহায্যের মাধ্যমে অর্ণব নিজের সাহায্যের ক্ষমতা ও মানবিক দায়িত্বের গুরুত্ব বোঝে ফেলে। এরপর অর্ণব ও চড়ুই পাখি সবসময় একসাথে থাকতে থাকতে সময়ের সাথে তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয...
এ কেমন প্রেম?
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কি রে মেয়ে পছন্দ হয়ছে? (মা) - হ্যা হয়ছে (বাধ্য হয়ে বললাম। কিন্তু আমি এখনো মেয়ের ছবিই দেখিনি) - তাহলে তাড়াতাড়ি চলে আয়। আমরা আর সময় নষ্ট করতে চাই না। - ঠিক আছে আমি বাড়ি আসছি। - বাড়ি আসবি কেন? তোর কাকুর বাড়ি আয়। আমরা সবাই তোর কাকুর বাড়ি আছি। - কেন? ওখানে কেন? - মেয়ের বাড়ি এখানেই। তাই আমরা সবাই তোর কাকার বাড়ি আছি। তুই আজই চলে আয়। কালকেই আমরা মেয়ে দেখতে যাবো। - কালকেই!!! - হুম - তা আমাকেও কি যেতে হবে? - গাধা,,তোর হবু বউকে তুই দেখবি না? - আচ্ছা। আমি আসছি। ফোনটা কেটে দিলাম। আমার কোন ইচ্ছে নেই বিয়ে করার। কিন্তু বাড়ির সবাই যেভাবে চেপে ধরেছে রাজি না হয়ে আর উপায় নেই। তারপরও বিয়ে ভাঙার একটা প্লান করেছি। কিন্তু মনে হয়না তা সফল হবে। বাসে বসে আছি। আমার কাছে জার্নি একদম ভাল লাগে না। তবুও প্রতি মাসেই এই জার্নি করতে হয়। - excuse me এটা আমার সিট। একটা মেয়ে বললো। জানলার পাশের সিটটা ছেড়ে দিলাম। বাস চলতে শুরু করলো। একটু পরে মেয়েটা আমাকে বললো - আপনার নাম কি? - রাজ। আপনার নাম? - দিপা - বাহ। ভালো নাম। কি করেন আপনি? - পড়ছি। আপনি? - আমি পড়ি না। - কেন? - ভাল লাগে না তাই। আপনি কিসে পড়েন? - অনার্স ৩য় বর্ষ। -...
গোপনে ময়না তোমারে কত ভালোবাসি
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া তোমার চরণে দিব হৃদয় খুলিয়া চরণে ধরিয়া তব কহিব প্রকাশি গোপনে তোমারে, ময়না, কত ভালোবাসি। গুন গুন করে গান টি গাইতে গাইতে থামিয়ে দিয়ে অর্চিতা বললো, - ভাবিনি আবার এইভাবে শুরু করতে পারবো । আমার কাছে তো পুরোটাই একটা দুঃস্বপ্নের মতো ছিলো । - আসলে আমরা মাঝে মধ্যে ভুলে যাই প্রতিটা দুঃস্বপ্নের শেষে একটা করে নতুন সকাল আসে । সৌনকের কথা টা শুনে অর্চিতা একটু মৃদু হাসলো । সামনের অগ্রহায়নে ওদের বিয়ে । তিন বছরের একটা সিরিয়াস রিলেশনের ভেঙে যাওয়া । বিশ্রী ধরনের একটা প্রতারণার শিকার হওয়ার পর অর্চিতা জীবনের থেকে এক প্রকার মুখ ঘুরিয়ে ই নিয়েছিলো । জীবনে কেরিয়ার নিয়ে ভাবনা ছাড়া আর কিছুই ওর কাছে তেমন গুরুত্ব পেতো না । রুক্ষ , একগুঁয়ে, বদমেজাজি , এই মেয়েটিকে দেখলেই প্রেম নিবেদন তো দুরে থাক, কথা বলতেই ভয় পেতো তার কলিগ থেকে শুরু করে বন্ধু সার্কেলের অনেকেই । কিন্তু শুঁয়োপোকা র থেকে প্রজাপতি হয়ে ওঠার জার্নিটাতে যে পাশে থাকতে পারে ঠিক সেই জানে আসলেই ভালোবাসা কতো সুন্দর । সৌনক ঠিক তেমনই রোদে পোড়া তপ্ত গরম কালের পরে এক পশলা বৃষ্টি নিয়ে এসেছিলো অর্চিতার জীবনে । হ্যাঁ অ...